| বঙ্গাব্দ

বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন | অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৬ সদস্য।

রিপোর্টারের নামঃ BDS Bulbul Ahmed
  • আপডেট টাইম : 14-04-2026 ইং
  • 5295049 বার পঠিত
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন | অর্থমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৬ সদস্য।
ছবির ক্যাপশন: বিদ্যুৎ সংকট

বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ৬ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন: নেতৃত্বে অর্থমন্ত্রী

লিখেছেন: [BDS Bulbul Ahmed]

ক্যাটাগরি: জাতীয় ও অর্থনীতি

সময়: ১৪ এপ্রিল ২০২৬ | বিকাল ৩:৪৫

চলমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের ক্রমবর্ধমান সংকট সমাধানে এবং মূল্যহার সমন্বয়ে ৬ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করেছে সরকার। গত ৯ এপ্রিল (বৃহস্পতিবার) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হলেও সোমবার (১৩ এপ্রিল) এটি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকারি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়।

১. কমিটির নেতৃত্ব ও সদস্যবৃন্দ

নবগঠিত এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অর্থমন্ত্রী। কমিটিতে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন:

  • বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী।

  • বাণিজ্যমন্ত্রী।

  • অর্থ বিভাগের সচিব।

  • বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব।

  • জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব।

২. কমিটির মূল লক্ষ্য ও কার্যপরিধি

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, এই কমিটির প্রধান কাজ হবে বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও বিদ্যুতের সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং এর পাইকারি ও খুচরা মূল্যহার সমন্বয়ের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রণয়ন করা। এই প্রস্তাবটি পরবর্তীতে চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

কমিটির বিশেষ ক্ষমতা হিসেবে তারা প্রয়োজনে যেকোনো বিশেষজ্ঞকে সদস্য হিসেবে ‘কো-অপ্ট’ বা অন্তর্ভুক্ত করতে পারবে। বিদ্যুৎ বিভাগ এই কমিটিকে প্রয়োজনীয় সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।

৩. প্রেক্ষাপট: কেন এই কমিটি?

বিশ্লেষকরা বলছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার চলমান সংঘাত এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদনে। আইএমএফ-এর সাম্প্রতিক পূর্বাভাসেও জ্বালানি আমদানিতে বাড়তি ব্যয়ের কারণে ভর্তুকি ও মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় ও সংকট ব্যবস্থাপনায় এই কমিটির ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।


বিডিএস পর্যবেক্ষণ: সরকারের এই পদক্ষেপটি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অদূর ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দামে বড় ধরণের পরিবর্তন আসতে পারে। পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ে দামের সমন্বয় করার অর্থ হলো—ভর্তুকির চাপ কমাতে গ্রাহক পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির একটি প্রাক-প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।


এক নজরে উচ্চপর্যায়ের কমিটি:

পদবিসদস্য
আহ্বায়কঅর্থমন্ত্রী।
সদস্য সংখ্যামোট ৬ জন।
প্রধান কাজবিদ্যুতের দাম সমন্বয় ও সংকট সমাধানের প্রস্তাব তৈরি।
কার্যকরঅবিলম্বে কার্যকর।

উপসংহার: সাধারণ মানুষের ওপর প্রভাব কেমন হবে?

বিদ্যুতের দাম বাড়লে তার প্রভাব সরাসরি জীবনযাত্রার ব্যয়ের ওপর পড়ে। তবে আমদানিকৃত জ্বালানির চড়া দামের কারণে সরকারের পক্ষে বড় অংকের ভর্তুকি দেওয়াও কঠিন হয়ে পড়েছে। এখন দেখার বিষয়, এই কমিটি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বিবেচনা করে কতটা জনবান্ধব প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় পেশ করে।

আপনার মতামত: বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুতের দাম সমন্বয় করা কি সঠিক সিদ্ধান্ত? নাকি ভর্তুকি দিয়ে দাম স্থিতিশীল রাখা উচিত? কমেন্টে জানান।

প্রতিবেদক:বিডিএস বুলবুল আহমেদ
আরও খবর জানতে ভিজিট করুন: বাংলাদেশ প্রতিদিন

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
খবর রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

রোনাম: মধ্যপ্রাচ্যের তীব্র উত্তেজনা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচে: নেপথ্যের বাজার বিশ্লেষণমেটা ডিসক্রিপশন: মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থা ও ইরান সংকট সত্ত্বেও বৈশ্বিক বাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে অবস্থান করছে। অর্থনৈতিক মন্দা ও উৎপাদন বৃদ্ধির নানা কারণ বিশ্লেষণ।অনলাইন ডেস্কমধ্যপ্রাচ্যের ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাত এবং ইরান কেন্দ্রিক চরম ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা সত্ত্বেও আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে প্রতি ব্যারেল অপরিশোধিত তেলের দাম মনস্তাত্ত্বিক ১০০ ডলারের নিচেই স্থিতিশীল রয়েছে। চলতি সপ্তাহে লন্ডনের ব্রেন্ট ক্রুড এবং মার্কিন টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (WTI)—উভয় মানদণ্ডেই তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে কম সূচকে কেনাবেচা হতে দেখা গেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশ্লেষকদের মতে, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দার আশঙ্কা, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বৃদ্ধি এবং প্রধান প্রধান অর্থনৈতিক পরাশক্তিগুলোতে জ্বালানি ব্যবহারের শ্লথগতির কারণে সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটা সত্ত্বেও বাজারে তেলের দাম লাগামহীন হতে পারেনি।তেলের দাম না বাড়ার প্রধান অনুঘটকসমূহমধ্যপ্রাচ্যের স্পর্শকাতর পরিস্থিতির পরও আন্তর্জাতিক কমোডিটি এক্সচেঞ্জে তেলের দর প্রত্যাশার চেয়ে নিয়ন্ত্রণে থাকার পেছনে বিশ্ব অর্থনীতির কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক কাজ করছে।চীন ও ইউরোপের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি শ্লথ হওয়ায় জ্বালানি তেলের বিশ্বব্যাপী সার্বিক ব্যবহার আগের চেয়ে কমেছে। পাশাপাশি, ওপেক প্লাস (OPEC+) জোটের বাইরে থাকা দেশগুলোর অব্যাহত অতিরিক্ত উৎপাদন বাজারে চাহিদার ঘাটতি তৈরি হতে দেয়নি।দর নিয়ন্ত্রণে থাকার মূল কারণসমূহজ্বালানি বাজার বিশেষজ্ঞদের মতে, দর ব্যারেলে ১০০ ডলারের নিচে থাকার নেপথ্যে যেসব প্রধান কারণ রয়েছে:যুক্তরাষ্ট্র ও অপেক-বহির্ভূত দেশের উৎপাদন: যুক্তরাষ্ট্র, ব্রাজিল ও গায়ানার মতো দেশগুলোতে তেলের রেকর্ড পরিমাণ উৎপাদন বাজারের ভারসাম্য রক্ষা করছে।চীনের বাণিজ্যিক মন্দা: বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল আমদানিকারক দেশ চীনে শিল্প উৎপাদন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি প্রত্যাশার চেয়ে ধীরগতির হওয়ায় চাহিদায় ঘাটতি।মার্কিন সুদের হার ও সুদের প্রভাব: উচ্চ সুদের হারের কারণে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক মন্দার প্রভাব এবং অর্থনৈতিক স্থবিরতা তেলের দামে অতিরিক্ত চাপ তৈরিতে বাধা সৃষ্টি করেছে।এক নজরে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজার পরিস্থিতিবিষয়বিবরণবাজার স্থিতিপ্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের নিচেউত্তেজনার অঞ্চলমধ্যপ্রা

ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বাংলাদেশ প্রতিদিন সত্যের সন্ধানে সব সময় | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায় BDS Digital Marketing Agency